ফটোল্যাব এপস ইউস করে হারাতে পারেন আপনার মোবাইলের মূল্যবান সব তথ্য।


বর্তমানে নতুন একটি এপস ফটোল্যাব নিয়ে মেতেছেন তরুনরা। অ্যাপটি কাজ করতে ডিভাইসের স্টোরেজের এক্সেস চায়। আপনার স্টোরেজ থেকে যেকোনো ফাইল সে রিড করতে পারবে, চাইলে মুছেও দিতে পারে। এমনকি আপনার ফোনে থাকা সব কনট্যাক্টস অর্থাৎ যেসব মানুষের নাম, নম্বর এবং ই-মেইল এড্রেস সংরক্ষণ করে রেখেছেন, সেগুলোও তারা এক্সেস নিয়ে পড়তে বা মুছে ফেলতে পারবে। এছাড়া আরও অনেক বিষয়ে তারা এক্সেস নেয়। 



তারপর অ্যাপটি ব্যবহার করা যাবে। আর এসব এক্সেস থেকে তারা যে তথ্যগুলো পাবে, সেগুলো তারা সংরক্ষণ করে রাখবে। এটা একজন ব্যক্তির ক্ষেত্রে তো বটেই এমনকি তার পরিচিত সবার গোপনীয়তা এবং নিরাপত্তার জন্যও চরম ঝুকিপূর্ণ।"

অনেক ব্যবহারকারী বলেন এমন কোন এ্যাপ আছে , যেগুলা স্টোরেজ পারমিশন নেই নাহ?? কম বেশি সব এ্যাপস ডিভাইস এর স্টোরেজ পারমিশন নিয়ে থাকে। এই রকম এ্যাপস আপনি নিজেও ব্যবহার করেন। শুধু শুধুু মানুষকে টেনশন দিয়া লাভ কি?

আরেকজন বলেন,
শুধু ফটোল্যাব না ফোনের ম্যাক্সিমাম এ্যাপই স্টোরেজে এক্সেস চায়। এছাড়াও অন্যান্য পারমিশন। সুতরাং ইনফরমেশন সিকিউরড করতে হলে তো এককথায় স্মার্টফোন চালানোই বাদ দিতে হবে।


প্রত্যেকটা এপেরই আপনার ফোনের স্টোরেজ পারমিশন লাগবে। আপনি ফেইসবুক এপ চালু করলেই এপের মাধ্যমে এসব ব্যবহার হবে। এতে ভয় পাওয়ার কিছু নাই। তবে আনঅথোরাইজড এপ ব্যবহার না করাই ভালো। আগে সিমসিমি নামক একটা টকিং বট এপ নিয়ে এরকম গুজব বের হয়েছিল। আসলে বাঙালির সমস্যা দুইটা, একটা হলো গুজব ছড়ানো, আরেকটা হলো গুজব যাচাই না করে বিশ্বাস করা।

যাই হোক। ফটো ল্যাব বোঝে শুনে ব্যবহার করুন।


Post a Comment

0 Comments