মতলব উওরের শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয় জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়।

২০২০ ইং সনের এসএসসি পরীক্ষা জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ের অসাধারণ  ফলাফল করেছে। ২২টি এ+ সহ ৯২.২৯% পাশের হার। মতলব উত্তর উপজেলার মধ্যে সব গুলো বিদ্যালয়ের মধ্যে সবচেয়ে ভালো রেজাল্ট করেছে। ছাএছাএীরা এই বছর সুন্দর ফলাফল করার জন্য আল্লাহ পাকের নিকট অসংখ্য শুকরিয়া আদায় করছেন বিদ্যালয় কতৃপক্ষ।


এসএসসি (সাধারণ)ঃ

মোট পরীক্ষার্থী  - ৮৪ জন

কৃতকার্য           - ৭৫ জন

পাশের হার       - ৮৯.২৯%

এ+                  - ০৩টি

এসএসসি (ভোকেশনাল)ঃ

মোট পরীক্ষার্থী  - ৮৫ জন

কৃতকার্য           - ৮১ জন

পাশের হার       - ৯৫.০০%

এ+                  - ১৯টি



জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠানের ইতিহাসঃ
                                            
একটি জাতির প্রতিটি পরিবার যত শিক্ষিত হবে সমাজ তত শিক্ষিত হবে। সমাজ ও জাতি ততোধিক সমৃদ্ধশালী হবে। এই পারিবারিক শিক্ষাই একটি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ পূর্বশর্ত। এই পরিকল্পনা মাথায় রেখে বিশিষ্ট শিল্পপতি, শিক্ষানুরাগী, দেশ দরদী ও সমাজ সেবক আলহাজ্ব এ বি মঈন উদ্দিন হোসেন সাহেব উনার প্রয়াত মাতা জমিলা খাতুনের নামে চাঁদপুর জেলাধীন, মতলব উত্তর উপজেলার অন্তর্গত ফতেপুর পূর্ব ইউনিয়নের এনায়েত নগর গ্রামে জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন।

১৯৯১ ইং সনে মাত্র ১২০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে প্রতিষ্ঠাতা সাহেবের বাড়ীতে ৬ষ্ঠ, ৭ম ও ৮ম শ্রেনীর পাঠদান কার্যক্রম চালু করা হয়। ১৯৯২-৯৩ ইং সনে প্রতিষ্ঠাতা সাহেব উনার পৈতৃক ও ক্রয়কৃত ১.৫০ একর জমির উপর ১২০ ফুট দীর্ঘ একখানা দ্বি-তল একাডেমিক ভবন নিজস্ব অর্থায়নে নির্মাণ করেন। ১৯৯৩ ইং সন হইতে প্রায় ৩৫০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে উক্ত ভবনের পাঠদান কার্যক্রম যাত্রা শুরু করে এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা পরিদপ্তর, কুমিল্লা কর্তৃক প্রথম নিম্ন মাধ্যমিক একাডেমিক স্বীকৃতি লাভ করে। ১৯৯৪ ইং সন হইতে নিম্ন মাধ্যমিক হিসেবে এমপিও ভুক্তি (মন্ত্রণালয় কর্তৃক) সহ ৯ম শ্রেনীতে বিজ্ঞান ও সমাজ বিজ্ঞান শাখা খোলার বোর্ড অনুমতি লাভ করে। ১৯৯৫ ইং সন হইতে ১০ম শ্রেনীতে বিজ্ঞান ও সমাজ বিজ্ঞান শাখা খোলার অনুমতি সহ ১৯৯৬ ইং সন হইতে এস.এস.সি পরীক্ষায় শিক্ষার্থী প্রেরণের বোর্ড অনুমতি পায়। ১৯৯৮ ইং সন হইতে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা কর্তৃক এস.এস.সি ভোকেশনাল শিক্ষাক্রমের বিল্ডিং মেইনটেনেন্স ও জেনারেল মেকানিক্স ট্রেডের অনুমতি লাভ করে। ১৯৯৮ ইং সনে ব্যবসায় শিক্ষা শাখা খোলার অনুমতি পায়। ১৯৯৯ ইং সন হইতে বোর্ড বিদ্যালয়টিকে মাধ্যমিক স্বীকৃতি প্রদান করে। ২০০০ ইং সনে তৃতীয় ট্রেড ড্রেসমেকিং এন্ড টেইলারিং ট্রেড কে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড অনুমতি প্রদান করে। ২০০১ ইং সন হইতে মন্ত্রণালয় কর্তৃক মাধ্যমিক হিসেবে এমপিও ভুক্তি করেন। ২০০৫ ইং সন হইতে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এস.এস.সি ভোকেশনাল শিক্ষাক্রমের ৯ম শ্রেণী বোর্ড সমাপনী পরীক্ষা কেন্দ্র, ২০০৬ ইং সন হইতে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এস.এস.সি ভোকেশনাল শিক্ষাক্রমের ১০ম শ্রেণী বোর্ড সমাপনী পরীক্ষা কেন্দ্র এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, কুমিল্লা এস.এস.সি পরীক্ষা কেন্দ্র ও ২০১০ ইং সন হইতে জেএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র হিসেবে বিদ্যালয়টিকে নির্বাচিত করে। ২০০৭ ইং সন হইতে বোর্ড কর্তৃক কম্পিউটার শাখা খোলার অনুমতি পায়। ২০১৩ ইং সন হইতে বিদ্যালয়টির নিজস্ব সফটওয়ার চালু রয়েছে। ২০১৫ ইং সন হইতে সফটওয়ার এর সহিত ডাইনামিক ওয়েব সাইট খোলা হইয়াছে (www.jkhs.edu.bd)।

 
বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে পাকা, সেমি-পাকা ও কাঁচা সহ মোট ০৫ টি ভবনে ৪০ টি কক্ষ রয়েছে। ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে ০৪ টি, ৭ম শ্রেনীতে ০৩ টি, ৮ম শ্রেনীতে ০৩ টি, ৯ম (সাধাঃ) শ্রেনীতে ০২ টি, ৯ম (ভোকেশনাল) শ্রেনীতে ০১ টি, ১০ম (সাধাঃ) শ্রেনীতে ০২ টি এবং ১০ম (ভোকেশনাল) শ্রেনীতে ০১ টি সহ মোট ১৬ টি শ্রেনী-শাখা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত আছে। ২০১৫ ইং সনে শিক্ষার্থী সংখ্যা প্রায় ১২০০ এবং শিক্ষক/কর্মচারীর সংখ্যা ৩৫ জন।


Post a Comment

0 Comments