আপনি টিকটকে মজেছেন নিজের ক্ষতি নিজেই করেছেন

বর্তমান যুগ তথ্য প্রযুক্তির যুগ। ঘরে বসেই যে কোন তথ্য বা সুবিধা খুব সহজেই হাতের নাগালে পাওয়া যায়। এরমধ্যে যেমন সুবিধা রয়েছে তেমন অসুবিধা ও কিন্ত কম নয়। বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে তথ্য হাতিয়ে নেয়ার মতো অপরাধটি খুবই বেরে গিয়েছে।
বর্তমানে ইয়ং জেনারেশন এর বড় একটা অংশ ট্রেন্ড ফলো করতে ভালোবাসে। হোক তা ভালো অথবা মন্দ। কোন কিছু না ভেবেই এই ইয়ং জেনারেশন মেতে ওঠে যে কোন ট্রেন্ড ফলোতে । আর এতেই সাইবার অপরাধীরা পেয়ে যায় বড় সুযোগ।আর এই সুযোগে তারা আপনার ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেয়।
 
তথ্য প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে এই সাইবার অপরাধীরা এখন এতোটাই নিখুঁত হয়েছে যে আপনি বুঝতেও পারবেননা কিভাবে তারা আপনাকে ফাঁদে ফেলছে। বিশ্লেষকরা বলেন এই অপরাধী চক্র এমন কিছু এপ্লিকেশন বানিয়ে নিয়েছে যাতে আপনি কোন ভাবেই বুঝতে না পারেন, যে আপনাকে কেউ বোকা বানাচ্ছে। আর এই এপ্লিকেশন আপনার মোবাইল হ্যান্ডসেট বা পিসিতে ব্যবহারেই আপনার নিয়ন্ত্রন নিচ্ছে অন্য কেউ।

তবে সবচেয়ে ভয়ানক ব্যাপারটা হলো আগে সাইবার অপরাধীরা এই জঘন্য কাজটি করলেও বর্তমানে এই ভয়ানক কাজটি করছে বিভিন্ন দেশের গোয়েন্দারা। এমন কিছু মোবাইল এপ্লিকেশন আছে যার নিয়ন্ত্রণ থাকে মূলত গোয়েন্দাদের কাছে। বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের তথ্য হাতিয়ে নিয়ে যাচ্ছে অন্য কোন দেশের গোয়েন্দারা। 

এমনি একটি বহু ব্যবহৃত এ্যাপ হলো টিকটক। বিভিন্ন প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা প্রথম থেকেই এই এ্যাপ এর সমালোচনা করে আসছিলেন। একদল বিশ্লেষক বলছেন এই এ্যাপ এর মাধ্যমেই আপনার ব্যক্তিগত সকল তথ্য হাতিয়ে নিয়ে যাচ্ছে চায়নার কোন একটি গোয়েন্দা সংস্হা। এবং যদিও চায়না এটা অনেকবার অস্বীকার করেছে। কিন্ত প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা খুবই নিশ্চয়তা দিয়ে বলছেন এই ভয়াবহ কাজটি চায়নাই করছে।

বহু আগে থেকেই চায়না গোয়েন্দা সংস্হার ওপর এই দোষারোপ করা হলেও বাস্তবে কিন্ত তারা সার্থক। কেনোনা প্রায় প্রতিটি দেশের বড় একটা ইয়ং জেনারেশনের অংশ এই এ্যাপ ব্যবহার করে আসছে। এতে করে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য, ছবি, গুরুত্বপূর্ণ ফাইল অনায়াসেই চলে যাচ্ছে গোয়েন্দাদের কাছে। এ ছাড়াও কিছু ফটো এডিটিং এ্যাপের মাধ্যমেও আপনার তথ্য চলে যাচ্ছে অন্যের হাতে। 

তাছাড়া অনেক স্বাস্থ্য বিশেষঙ্গরা বলছেন এই ধরনের এ্যাপ আপনার মানসিক সমস্যার সৃষ্টি করে। আপনার মস্তিষ্কের অস্হিরতা তৈরি করে। তাই সকল অভিভাবক ও তরুন বয়সীদের এই ব্যাপারে সচেতন হতে হবে। যাতে এই ধরনের ভয়াবহ এ্যাপ কেউ ব্যবহার না করে। মূলত তরুনদের মাধ্যমেই এই অপরাধটি বেশি হয়ে থাকে।

সবার জন্যই নিরাপদ হোক ইন্টারনেট। নিরাপদ ইন্টারনেটেই গড়ে উঠুক তরুনদের ভবিষ্যৎ।



কপ রবিন হুড। 

Post a Comment

0 Comments