মিটার ভাড়া বন্ধ করেন না হয় জায়গায় ভাড়া দেন


মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উদ্ভাবনী উদ্যোগ “ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ” বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিদ্যুৎ বিভাগ ইতোমধ্যে রূপকল্প ২০২১-২০২০ সালের মধ্যে সবার জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে মান সম্মত বিদ্যুৎ’ গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যে বিদ্যুৎখাতের মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন, অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় বিদ্যুৎখাতের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন পরিকল্পনার বাস্তবায়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যেই দেশের ৯৫ শতাংশ জনগোষ্ঠি বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে। অবশিষ্ট জনগোষ্ঠি মুজিব বর্ষের মধ্যেই বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্ভাবনী উদ্যোগকে ব্যাপকভাবে জনসাধারণের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্যে বিদ্যুৎ বিভাগ ইতোমধ্যেই বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। ২০১২ সাল হতে দেশব্যাপী জাতীয় বিদ্যুৎ সপ্তাহ পালন এবং স্কাউট সদস্যদের অংশগ্রহণে বিদ্যুৎ ক্যাম্প আয়োজনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ক্যাম্প আয়োজনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সংক্রান্ত বিষয়ে জনসাধারণের মধ্যে ব্যাপক সাড়া সৃষ্টি করা হয়েছে।

বর্তমানে প্রায়ই অধিকাংশ ঘরে বিদ্যুৎ আছে। প্রতিমাসে দিতে হয় বিদ্যুৎ বিলে সাথে আছে বিভিন্ন রকমের চার্জ। তার মধ্যে একটি হলো মিটার ভাড়া। একজন গ্রাহক যখন বিদ্যুতিক সংযোগ করতে হয় তখন মিটার দেওয়া বাবদ সর্বনিম্ন ৩০০০ /৫০০০ থেকে ১০০০০ টাকা প্রদান করতে হয় হউক তা দালাল কিংবা অন্য কোন মাধ্যমে। তার উপর প্রতিমাসে দিতে হয় মিটার ভাড়া, মেইনটেনেন্স খরচ।

অন্য দিকে বৈদ্যুতিক সংযোগের জন্য বিদ্যুৎ কতৃপক্ষ যে লাইন বা বৈদ্যুতিক খুঁটি স্থাপন করে জনগনের লাখ টাকার জমির উপর দিয়ে। আবার গ্রামের ভিতর অনেকের ঘরের  কাছে খুটি স্হাপন করেন, দামি দামি গাছ কেটে ফেলেন কয় দিন পর পর কত টাকা প্রদান করে এককালীন কিংবা মাসিক। কিন্তু বিদ্যুৎ সংস্থা আমাদের জমিতে বিদ্যুতের খুঁটি পুতে লাইন টানিয়ে ফসলি জমি গুলো নষ্ট করে কোটি কোটি টাকার ব্যবসা করে।

তারা ফসলি জমিতে বৈদ্যুতিক খুঁটিসহ টাওয়ার স্হাপন করে সারা বছর মুনাফা অর্জন করে হাজার কোটি টাকা। আর এদিকে ক্ষতি হয় জন সাধারনের। গ্রাহক নিজের টাকায় বিদ্যুতের মিটার ক্রয় করার পরও যদি প্রতি মাসে মাসে মিটার ভাড়া দিতে হয়, তাহলে তারা ফসলি জমি নষ্ট করার পরও আমাদের জমির ভাড়া দিবে না কেনো?


Post a Comment

0 Comments