অটোতে উঠতে গিয়ে বিচি হারিয়ে ফেললেন মতলবের সামসু

গাছে কাঠাল গোঁফে তেল। গ্রামের ভাষায় একটি প্রবাদ আছে। তাই বৈশাখ জোষ্ঠ মাসে গাছে কাঠাল বড় হতে দেখলেই অনেকেই আগে থেকে চিন্তা করে রাখেন এবারের পাকা কাঠাল মুড়ি দিয়া খাবো, কাচা কাঠালের নিরামিষ খাবো, মেয়ের বাড়ি পাঠাবো, কাঠালের বিচির ভর্তা খাবো। সেই রকম একজন কাঠাল প্রিয় মানুষ সামসুর রহমান। 
কাঠাল খাওয়ায় তার জুড়ি মেলা ভার। তিনি মতলবের একজন বাসিন্দা। কাঠাল তার পরিবারের ও প্রিয় খাবার। এবং কাঠালের বিচির ভর্তা আর গরম ভাত না খেলে তার দুপুরের খাবার হজম হয় না। মৌসুমে প্রায় সময়ই সে মতলব বাজার থেকে কাঠাল কিনে নিয়া যান। বরাবরের মতো এবার ও তার একটা কাঠাল খাওয়ার ইচ্ছে হল। তাই তিনি মতলব বাজার গেলেন কাঠাল কিনার জন্য। 

বাজারে ভালো কাঁঠালের সন্ধানে এ দোকান থেকে ঐ দোকানে ঘুরছিলেন তিনি। দাম দর করে ভালো একটি কাঁঠাল কিনলেন। তবে কাঁঠালের একটি অংশ নরম ছিলো ঐ বিষয়টি খেয়াল করতে পারেননি। কাঁঠাল কিনে যখনি বাড়িতে রওয়ানা হলেন তখনি বাধলো বিপত্তি।

অটো গাড়ি করেই সবসময় আসা যাওয়া করেন শামসু। এবারো ঠিক করেছিলেন অটোতে করেই বাসায় ফিরবেন। শামসু যখনি অটোতে কাঁঠাল নিয়ে উঠতে গেলেন। ভুলক্রমে তার হাত ফসকে কাঁঠালটি নিচে পরে যায়। কাঁঠালটি একটু নরম থাকার কারনে ফেটে যায় এবং কাঁঠালের কোষ সহ কাঁঠালের বিচি বের হয়ে রাস্তায় ছড়িয়ে যায়।
কিছু কোষের বিচি দোকানের নীচে চলে যায়।
ঠিক তখনি ঐ অটোর চালক বলে উঠলেন হায় হায় আপনি অটোতে উঠতে যেয়ে বিচি হারিয়ে ফেললেন। তখন অন্য যাএীরা তার দিকে তাকিয়ে হাঁসছিলেন।

শামসুর রহমানের পছন্দের কাঁঠালটি এভাবেই নষ্ট হয়ে যায়। কাঁঠালটি পড়ে গেলেও শামসুর রহমান খুব একটা কষ্ট
পাননি। বাকি বিচি সহ কাঠালটি তিনি বাড়ি নিয়ে যান। এভাবেই সমাপ্ত হয় শামসু বিচি হারানোর কাহিনী।

Post a Comment

0 Comments