নারায়ণগঞ্জে ফতুল্লা হাটের মূল আকর্ষণ ‘কালা পাহাড়’ ও ‘লাল বাহাদুর’

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লা ডিআইটি মাঠের কোরবানির পশুর হাটের প্রধান আকর্ষণ কালা পাহাড় ও লাল বাহদুর নামে দুটি গরু। হাটে এসে কালা পাহাড়ের কাছে একবার দাঁড়াতেই হবে। সিরাজগঞ্জের সদর উপজেলা থেকে গরু দুটি নিয়ে এসেছেন সাইফুল ইসলাম ব্যাপারী। কালা পাহারকে তিনি পাঁচ লাখ টাকায় বিক্রি করতে চান। গতকাল শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত দাম ওঠে তিন লাখ টাকা।



গরু দুটি পরিচর্যা করেন লাল মিয়া। তিনি বলেন, ‘কালা পাহাড়ের বয়স এখন দুই বছর। তিন মাস বয়স থেকে তিনি লালন-পালন করছেন। আট মাস আগে ৪০ হাজার টাকায় স্থানীয় রাখালের কাছ থেকে লাল বাহাদুরকে কেনা হয়। তখন গরুটির ওজন ছিল প্রায় আড়াই মণ। মোটাতাজা করতে এদের শুধুমাত্র প্রাকৃতিক খাবার দেওয়া হয়েছে।’

সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘কালা পাহাড় পাঁচ লাখ এবং লাল বাহাদুর সাড়ে চার লাখ টাকায় বিক্রি করবো। কালা পাহাড়ের ওজন হবে ১৪ থেকে ১৫ মণ আর লাল বাহদুরের ১৩ থেকে ১৪ মণ। মাত্র হাট শুরু হয়েছে, এখনো জমে উঠেনি। কয়েকজন ক্রেতা কালা পাহাড়ের দাম তিন লাখ ও লাল বাহাদুরের দাম আড়াই লাখ টাকা বলেছে।’

কৃষি কাজের পাশাপাশি গরুর খামার করেছেন সাইফুল ইসলাম। দেশি ও অস্ট্রেলিয়ান জাতের ৬০টি গরু আছে তার খামারে। নারায়ণগঞ্জের হাটে নিয়ে এসেছেন ২৬টি গরু। এগুলো বিক্রি হয়ে গেলে আরও গরু নিয়ে আসার পরিকল্পনা আছে তার।

তিনি বলেন, ‘কম দামে গরু বেচা সম্ভব না। একটি গরুর পেছনে দিনে তিন শ থেকে সাড়ে তিন শ টাকা খরচ হয়। কোরবানির হাটের আনতে গরুগুলোকে আলাদাভাবে যত্ন করতে হয়। প্রয়োজনে আরও এক বছর খামারে রেখে দেবো।’

হাটের ইজারাদার আহসান হাবিব বলেন, গতকাল বিকাল ৩টা পর্যন্ত ৮০ থেকে ১০০ গরু এসেছে হাটে। হাটে প্রায় চার শ থেকে পাঁচ শ গরু আসবে। এখন পর্যন্ত কালা পাহাড় ও লাল বাহাদুর সব থেকে বড় গরু। আগের বছরগুলোতে এ রকম গরু আরও বেশি দামে বিক্রি হয়েছে। সে অনুযায়ী, এবার গরুর দাম অনেক কম।’

Post a Comment

0 Comments