ভূমিকম্পে ও নিরাপদে থাকবে জাপানের এ ট্রেন

১৯৬৪ সালে টোকিও শিনকানসেন লাইনের উদ্বোধন করে জাপান। এটি টোকিও ও ওসাকার মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। সে বছর টোকিওতে গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের সময় এটি চালু হয়। যা ছিল বিশ্বের প্রথম দ্রুতগতি সম্পন্ন ট্রেনের লাইন।

এন সেভেন হ্রান্ড্রেডএস নামের ওই বুলেট ট্রেনের ‘এস’ অক্ষরটির অর্থ ‘সুপ্রিম’। গত ১ জুলাই এটি টোকাইডো শিনকানসেন লাইনে যুক্ত হয়েছে। টোকাইডো শিনকানসেন লাইনটি টোকিও স্টেশন ও ওসাকার শিন-ওসাকা স্টেশনকে সংযুক্ত করে।

নতুন এই বুলেট ট্রেনটি প্রতি ঘণ্টায় ৩৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত চলতে পারে। ২০১৯ সালে পরীক্ষামূলকভাবে যাত্রার সময় এটি নতুন রেকর্ড গড়ে বিশ্বের দ্রুততম ট্রেনগুলির মধ্যে একটি হয়ে ওঠে। যদিও পরে এর গতিবেগ বেধে দেওয়া হয় ঘণ্টায় ২৮৫ কিলোমিটার।

গত ১৩ বছরের মধ্যে এটি টোকিও শিনকানসেন লাইনে যুক্ত হওয়া সেন্ট্রাল জাপান রেলওয়ের (জেআর সেন্ট্রাল) প্রথম নতুন বুলেট ট্রেনের মডেল। অনন্য এই বুলেট ট্রেনটি ২০২০ সালের টোকিও অলিম্পিকের সময় চালু হওয়ার কথা থাকলেও পরবর্তীতে ২০২১ সালে চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

১৯৬৪ সালে টোকিও শিনকানসেন লাইনের উদ্বোধন করে জাপান। এটি টোকিও ও ওসাকার মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। সে বছর টোকিওতে গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের সময় এটি চালু হয়। যা ছিল বিশ্বের প্রথম দ্রুতগতি সম্পন্ন ট্রেনের লাইন।

Post a Comment

0 Comments