জাহাজ ভাঙ্গা শিল্পে বিশ্বে প্রথম স্থানে বাংলাদেশ

জাহাজ ভাঙ্গাতে বিশ্বে প্রথম স্থান দখল করে আছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘের বাণিজ্য  উন্নয়ন বিষয়ক সম্মেলন(ইউএনটিএটিএডিডিদ্বারা প্রকাশিত ‘মেরিটাইম ট্রান্সপোর্ট ২০১৮’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদনে ৩০ অক্টোবর এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।



১৯৬০ সালের শুরুতে গ্রীক জাহাজ এমডি আলপাইন নামক একটি জাহাজ বাংলাদেশের চট্টগ্রামের এক সমুদ্র সৈকতে বিকলহয়ে পড়ে।  জাহাজটিকে এলাকার মানুষ  চট্টগ্রাম স্টিল মিলের শ্রমিক একত্রিত হয়ে রশি দিয়ে টেনে সমুদ্র তীরে নিয়ে আসে।বিভিন্ন নির্মাণ কাজে পুনরায় ব্যবহার উপযোগী করার লক্ষ্যে জাহাজটিকে ভাঙ্গার মাধ্যমে বাংলাদেশ এক নতুন শিল্পে প্রবেশকরে।


২০০৪-২০০৯ এই পাঁচ বছর বাংলাদেশ জাহাজ ভাঙ্গাতে বিশ্বে প্রথম স্থানে ছিল। ২০১২ সালে দ্বিতীয় স্থান দখল করে। বাংলাদেশের স্থানীয় রড এবং ইস্পাতের বাজার সর্ম্পূণভাবে এই শিল্পের উপর নির্ভরশীল।


বাংলাদেশের জাহাজ শিল্প মূলত চট্টগ্রামকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত। চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে জাহাজ শিল্পের অনেক প্রতিষ্ঠান গড়েউঠেছে। এই শিল্পের সাথে প্রায় ৫০ হাজার  মানুষ সরাসরিভাবে জড়িত এবং প্রায়  লক্ষ মানুষ পরোক্ষভাবে এই শিল্পেরসাথে জড়িত। এসব প্রতিষ্ঠানে শ্রমিকেরা স্থানীয় ঠিকাদার দ্বারা জাহাজ থাকা ভিত্তিতে নিয়োগ হয়ে থাকে। অর্থাৎ এরা অন্থায়ীভাবে নিয়োগ লাভ করে।


এছাড়া  চট্টগ্রাম এর সীতাকুন্ডে জাহাজ ভাঙ্গা শিল্পের উপর নির্ভর করে জীবিকা নির্বাহ করে স্থানীয় হাজারের অধিক ক্ষুদ্র মাঝারী ব্যবসায়ীরা।


ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা সম্পাদনা:


জাহাজ ভাঙ্গা শিল্পের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা খুবই উজ্জ্বল। এই শিল্পকে আরো এগিয়ে নেয়ার জন্য মালিকশ্রমিক  সামজিকনিরাপত্তা বিষয়ক সংস্থাগুলোকে একত্রিত হয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। শ্রমিকদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তার দিকে কতৃপহ্মকে নজর দিতেহবে। প্রযুক্তি ব্যবহার করে সম্পূর্ন নিশ্চিত করতে হবে জাহাজের পরিবেশ নিরাপদ কিনা।

Post a Comment

0 Comments