মতলব উত্তরে কেরী মারার ঔষধ খেয়ে ৮ম শ্রেণি ছাত্রীর আত্মহত্যা



চাঁদপুরের মতলব উত্তর ফরাজীকান্দি এলাকায় অপমান সইতে না পেরে ৮ম শ্রেণির ছাত্রী শান্তা আক্তার (১৫আত্মহত্যা করেছে। গত  জুলাই রাতে চাঁদপুর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। সে মতলব উত্তর উপজেলার উদম দী গ্রামের মৃত আবুল হোসেন প্রধানীয়া কনিষ্ঠ মেয়ে।



শান্তা আক্তারের মা  আত্মীয়স্বজন থেকে জানা যায়গত ২৯ জুন বান্ধবীদের সাথে বাজারে লাইব্রেরীতে বই আনার সময় এলাকার বখাটে যুবক তাদের গতিপথ রোধ করে কথা বলতে চায়।  সময় বখাটে যুবকরা শান্তা  বান্ধবীদের গালাগালিও করে। ঠিক তখন এলাকার যুবক মুক্তার হোসেন তাদের দেখে গালাগালি করতে থাকে এবং সবাইকে বাসায় পাঠিয়ে দেয়।  সময় শান্তা আক্তারকে মুক্তার মোটর সাইকেলে জোর করে উঠিয়ে নিয়ে উদমদী গ্রামের দোকানের সামনে নিয়ে যায়। 



সেখানে নিয়ে কিছু মানুষদের জড়ো করে শান্তা আক্তারকে অপমান অপদস্ত করে। পরে শান্তা কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি চলে আসে।বাড়িতে এসে অবগত করলেও কারো কোন সারা না পায়নি। পুনরায় মুক্তার শান্তার বাড়িতে এসে গালমন্দ করে।


এই অপমানে জ্বালা সহ্য করতে না পেরে ক্ষোভে-দুঃখে গত  জুলাই কেরী মারার ঔষধ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পরে। ওই দিন তাকে চাঁদপুর সদর জেনারেল হাসপাতালে আনলে চিকিৎসারত অবস্থায় রাতে মৃত্যুবরণ করে শান্তা। মৃত্যুর পূর্বে শান্তা একটি চিরকুট লিখে যায়। সেখানে তার দুঃখ-ক্ষোভের কথা উল্লেখ করে। এদিকে  বিষয়ে মতলব উত্তর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করার প্রক্রিয়া চলছে।

Post a Comment

0 Comments