কোরবানি পশু সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো জেনে নিন !

কোরবানির পশু সংক্রান্ত জরুরি বিষয়
নবী হযরত মুসার (আ.) যুগের একটি হত্যারহস্য উন্মোচনে গরু কোরবানির বর্ণনার কারণে আল কোরআনের সর্ববৃহৎ সুরার নামকরণ করা হয়েছে ‘বাকারা’ বা গরু। এই সুরার ৬৭-৭১ নম্বর আয়াতে ওই গরুর কয়েকটি বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করা হয়েছে। যা কোরবানির পশু নির্বাচনের আদর্শ মানদণ্ড হিসেবে বিবেচ্য। যেমন- (১) মধ্যম বয়সী হওয়া, (২) হলুদ উজ্জ্বল গাঢ় বর্ণের হওয়া, (৩) আকর্ষণীয় ও সুদর্শন হওয়া, (৪) পরিশ্রমকান্ত না হওয়া এবং (৫) সুস্থ ও নিখুঁত হওয়া।


কোরবানির পশু মহান আল্লাহর অনুগ্রহ ও অনুপম সৃষ্টি নৈপুণ্যের নিদর্শন। পরিবেশ ও প্রতিবেশগত কারণে পৃথিবীতে অনেক বন্যপ্রাণী বিলুপ্ত হয়ে গেছে। কিন্তু বিপুল উৎসাহে প্রতিবছর অসংখ্য উট, গরু ইত্যাদি কোরবানি হলেও এগুলো শত শত বছর ধরে আপন অস্তিত্বে টিকে আছে। এজন্যই পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘কোরবানির উট-গরুকে আমি তোমাদের জন্য আল্লাহর নিদর্শণস্বরূপ বানিয়েছি’ (হজ: ৩৬)।

প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (স.) নির্দেশনা হলো- কোরবানির পশুতে চারটি দোষ সহনীয় নয়। যেমন (১) স্পষ্টত অন্ধ, (২) মারাত্মক অসুস্থ, (৩) দুর্বল-হাড্ডিসার এবং (৪) চার পায়ে চলতে পারে না এমন অক্ষম বা খোঁড়া (তিরমিযি)।

অপর এক বর্ণনায় আছে, ইবনু ওমর (রা.) এমন পশু কোরবানি করতে নিষেধ করেছেন যে পশুর দাঁদ নেই এবং যে পশু জন্মগতভাবেই পঙ্গু (মুত্তয়াত্তা ইমাম মুহাম্মদ)।

Post a Comment

0 Comments