কেন জাম খাবেন ?

সাধারণত জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ় মাস জামের মৌসুম। এই সময়টাতেই গাছে গাছে জাম পাকতে শুরু করে। গ্রীষ্মকালীন এই ফল পুরো বর্ষাজুড়েই পাওয়া যায় বাজারে। গ্রামাঞ্চলে তো কথাই নেই। সহজলভ্য এই ফলটিতে রয়েছে প্রচুর পুষ্টিগুণ। 

জামে শর্করার পরিমাণ ১৫ দশমিক ৫৬ গ্রাম, পটাশিয়াম ৭৯ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ১৭ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেশিয়াম ১৫ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ১৯ মিলিগ্রাম ও সোডিয়াম ১৪ গ্রাম পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এছাড়াও জামে থাকে বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা।  


জাম খাওয়ার নানা উপকারিতা সম্পর্কে চলুন জেনে নিই একনজরে-
১. জামে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ‘সি’ থাকায় জ্বর, সর্দি ও কাশি থেকে সুরক্ষা দিতে পারে।
২. জাম দাঁত, চুল, ত্বক ও মুখ সুন্দর করে। 
৩. জামে থাকা ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম ও ভিটামিনগুলো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
৪. জামে থাকা গ্লুকোজ, ডেক্সট্রোজ ও ফ্রুকটোজ কর্মক্ষমতা বাড়ায় ও শরীর চাঙ্গা রাখে।
৫. জামে থাকা ভিটামিন ‘এ’ চোখ ভালো রাখতে সাহায্য করে।
৬. জাম ক্যান্সারের জীবাণুর বিরুদ্ধে বিশেষত মুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকর।
৭. বর্ষা মৌসুমে প্রতিদিন জাম খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।
৮. জাম খেলে রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ে।
৯. জামে থাকা ডায়াটরি ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে।

Post a Comment

0 Comments