মতলবের লক্ষীপুরের এক পুলিশের সাহসিকতায় প্রানে বাঁচল কক্সবাজারের শিশু পর্যটক

 সাগরের ঢেউসৈকতসহ প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগের জন্য প্রতি বছর কক্সবাজারে বেড়াতে আসে লাখো পর্যটক। শহরের চারশতাধিকের বেশি হোটেল-মোটেল  রিসোর্টে তখন উপচেপড়া ভিড় থাকে। এবারও লকডাউনের পর বিপুলসংখ্যক দেশি-বিদেশিভ্রমণপ্রেমী কক্সবাজারে বেড়াতে আসবে। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ  হয়রানি রোধে কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশসহ জেলাপ্রশাসন বেশ সজাগ তার প্রমাণ দিল গত পরশু।



 চাঁদপুরের মতলব উওর লক্ষীপুর গ্রামের ইয়াসিন ওনি পেশায় বাংলাদেশ পুলিশ  কর্মরত আছেন। তিনি বর্তমানেকক্সবাজারের ট্যুরিষ্ট পুলিশের  এস আই হিসেবে কর্মরত। গত পরশু কক্সবাজের ঘুরতে আসা কয়েক জন তরুন  বাচ্চা ছেলেসমুদ্রের পানিতে গোসল করতে গিয়ে ডুবে যাইতেছিল তখন ট্যুরিষ্ট পুলিশের ইয়াসিন ভাইয়ের নেতৃত্বে কিছু সাহসী পুলিশ ওনাদেরজিবনের বাজি রেখে বাচ্চাদের উদ্ধার করে। তাদের এই সাহসিকতায় মুগ্ধ হয়ে উঠেছে পুরো কক্সবাজার বাসী।



ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার জোনের পুলিশ সুপার মোজিল্লুর রহমান বলেনআমি এই রকম ঘটনা ঘটেছে শুনেছি। তাদের প্রতিআমি কৃতজ্ঞ। কক্সবাজারে বেড়াতে আসা পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তায় পুলিশ পর্যাপ্ত ব্যবস্থা আরো নিয়েছে। বেড়াতে আসাপর্যটকরা যেন চুরি  ছিনতাইসহ কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার সম্মুখীন না হয় সেজন্য টুরিস্ট পুলিশ সতর্কতা অব্যাহতরাখবে।


তিনি আরো বলেনহোটেল-মোটেল জোনে রুম ভাড়া হিসেবে অতিরিক্ত টাকা আদায়বুকিং দিয়েও হোটেল রুম না পাওয়াটিকিট কাটার পরও বাস না থাকারেস্তোরাঁগুলোতে অতিরিক্ত দামে খাবার বিক্রিপঁচা-বাসি খাবার পরিবেশনপর্যটকদের সঙ্গেদোকানিদের খারাপ আচরণ  আলোকচিত্রী-সিএনজি চালকদের হয়রানি রোধে সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন।


Post a Comment

0 Comments