জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলায় তরুণদের সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখতে হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

 একশনএইড বাংলাদেশ, ইয়ুথ নেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিস, কোস্টাল ইয়ুথ একশন হাব, বিন্দু, বাংলাদেশ মডেল ইয়ুথ পার্লামেন্ট, বাংলাদেশ এনভায়ারমেন্ট এন্ড ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি এবং বৃটিশ কাউন্সিল এর যৌথ উদ্যোগে‘ইয়ং পিলল লিডিং কোস্টাল রেজিলিয়েন্স’ শীর্ষক এক ওয়েবিনারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।


জলবায়ু পরিবর্তনকে বর্তমানে সর্বাধিক সংকটপূর্ণ চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, তরুণরাই আমাদের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ এবং এই সংকট মোকাবিলায় তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে।

সংসদ সদস্য ও ক্লাইমেট পার্লামেন্ট বাংলাদেশের আহ্বায়ক নাহিম রাজ্জাক বলেন, ‘আমরা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সম্পর্কে অবহিত, কিন্তু আমরা যা বুঝি না তা হচ্ছে আমদেরকে এই সমস্যা নিরসনে এগিয়ে আসতে হবে।’

একশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলাসহ কিছু বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থা পৃথিবীর কাছে দৃষ্টান্তস্বরূপ। তরুণ প্রজন্ম বোতল বাতি স্থাপনের মতো অনেক পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম গ্রহণ করেছে যা প্রশংসনীয়।’

পররাষ্ট্র মন্ত্রী আরো বলেন জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় তরুণ প্রজন্মের আবিষ্কারকে সহায়তা করতে সম্প্রতি স্পেশাল ডেল্টা ফান্ড প্রণয়ন করা হয়েছে।’

পিকেএসএফের চেয়ারম্যান ড. কাজী খলিকুজ্জামান বলেন, ‘উপকূলের মানুষ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত। এই বিপর্যয় মোকাবেলায় আমাদের সম্পদ ও জনবলের সংকট রয়েছে। উপকূলে পানিতে লবনাক্ততার পরিমাণ বেশি যার ফলে কৃষি কাজেও সমস্যা হচ্ছে।’

ওয়েবিনারে আরও বক্তব্য রাখেন- নেদারল্যান্ড দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি ফোকার্ট ডি জাগের, ইয়ুথ নেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিসের কোঅর্ডিনেটর শাকিলা ইসলাম, বাংলাদেশ মডেল ইয়ুথ পার্লামেন্টের চিফ এক্সিকিউটিভ সোহানুর রহমান প্রমুখ।

এশিয়া অঞ্চলের কপ-২৬ এর আঞ্চলিক প্রতিনিধি কেন ও ফ্লেয়াথি বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তরুণ প্রজন্ম। সিভিল সোসাইটি, সরকার, উন্নয়ন সংস্থা সবাই মিলে এই বিপর্যয় মোকাবিলা করতে হবে।’

Post a Comment

0 Comments