বিদায় বেলায় ধোনি

 শনিবার এক ইন্সটাগ্রাম পোস্টে ৩৯ বছর বয়েসী ভারতের সফলতম অধিনায়ক দেন এই ঘোষণা, ‘শুরু থেকে এখন অবসর নেওয়া পর্যন্ত আমাকে সমর্থন ও ভালোবাসা জানানোর জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।’


বিশ্বকাপের পর থেকেই অবসরের গুঞ্জন চলছিল। তাকে দেখা যাচ্ছিল না মাঠেও। বরং অবসর নিয়ে একদম নীরব থেকে বাড়াচ্ছিলেন ধোঁয়াশা। অবশেষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন ভারতের বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি।

এই ঘোষণার ফলে গত বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নিজের ৩৫০তম ওয়ানডেই হয়ে থাকল ধোনির শেষ ম্যাচ।

পোস্টের সঙ্গে বেশ কয়েকটি সম্পাদিত ছবির এক ভিডিও জুড়ে দেন ধোনি। তার বর্ণিল ক্যারিয়ারের নানান মুহূর্তের সঙ্গে ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজছিল হিন্দি গান, 'ম্যা পাল দো পাল ক্যা শায়ের হো/পাল দো পাল ম্যারি কাহানী হ্যা।'

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছাড়লেও বরাবরের মতই এবারও তাই আইপিএলে চেন্নাই সুপার কিংসকে নেতৃত্ব দেওয়ার কথা তার।

১৬ বছরের ক্যারিয়ারে কিপার ব্যাটসম্যান ধোনি ভারতকে এনে দিয়েছেন চূড়ান্ত সাফল্য। তার নেতৃত্বে ২০০৭ সালে প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেই চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। ২০১১ সালে ধোনি ভারতকে এনে দেন দ্বিতীয় ওয়ানডে বিশ্বকাপ। ২০১৩ সালে ধোনির অধিনায়কত্বে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিও জিতেছিল ভারত। তিন তিনটি আইসিসির টুর্নামেন্ট জেতা একমাত্র অধিনায়কও তিনি।

উইকেটের পেছনে নিজের সময়ে সেরাদের সেরা ছিলেন ধোনি। সব সংস্করণ মিলিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৮২৯টি ডিসমিসাল তার। তার চেয়ে বেশি ডিসমিসাল আছে কেবল দক্ষিণ আফ্রিকার মার্ক বাউচার (৯৯৮) ও অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডাম গিলক্রিস্ট (৯০৫)।

২০০৭ সালে রাহুল দ্রাবিড়ের কাছ থেকে ওয়ানডে অধিনায়কত্ব পান ধোনি। সব মিলিয়ে ২০০ ম্যাচে ভারতকে নেতৃত্ব দিয়ে ৫৫ শতাংশ জয় আছে তার। (১১০ জয়, ৭৪ হার, ৫ টাই, ১১ ম্যাচে রেজাল্ট হয়নি)।

Post a Comment

0 Comments