করোনার কারনে পিছিয়ে দেয়া হলো নিউজিল্যান্ডের সাধারণ নির্বাচন

 আজ সোমবার রাজধানী ওয়েলিংটনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডর্ন নির্বাচন পিছিয়ে দিয়ে নতুন তারিখ ঘোষণা করেন। জেসিন্ডা আরডর্ন বলেন, ‘নির্বাচন পেছনোর কোনো ইচ্ছা ছিল না। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে পেছানোর সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। নতুন যে তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে এরপর আর নির্বাচন পেছানোর কোনো ইচ্ছা নেই আমাদের।’


পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত বুধবার (১২ আগস্ট) নিউজিল্যান্ড পার্লামেন্ট ভেঙে দেয়ার কথা ছিল।  ১১ আগস্ট করোনা সংক্রমণ দেখা দেওয়ায় সংসদ ভেঙে দেয়ার নতুন তারিখ নির্ধারিত হয়েছিল আজ। কিন্তু নির্বাচন পিছিয়ে যাওয়ায় নতুন তারিখ নির্ধারিত হয়েছে ৬ সেপ্টেম্বর।

নিউজিল্যান্ডের আইন অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী চাইলে প্রয়োজনে দুই মাসের জন্য নির্বাচন পিছিয়ে দিতে পারেন। সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডর্ন বলেন, ‘করোনা সংক্রমণের কারণে প্রচার বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সে কারণেই নির্বাচন পিছনোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।‘ এছাড়া বিরোধী দলও নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার জন্য সরকারকে অনুরোধ করছিল।

করোনা সতর্কতামূলক ব্যবস্থা অনুযায়ী পুরো নিউজিল্যান্ড এখন ‌‌‘অ্যালার্ট লেভেল ২’ স্তরে রয়েছে। আর অকল্যান্ডে বহাল আছে আংশিক লকডাউন।  

নিউজিল্যান্ডে টানা ১০২ দিন স্থানীয় কোনো করোনা সংক্রমণ ছিল না। তবে গত ১১ আগস্ট নিউজিল্যান্ডের বৃহত্তম শহর অকল্যান্ডের একটি পরিবারের চার জনের দেহে করোনাভাইরাস ধরা পড়ে। এরপর প্রায় প্রতিদিনই নতুন আক্রান্তের খবর পাওয়া যাচ্ছে। নতুন আক্রান্তদের নিয়ে নিউজিল্যান্ডে বর্তমানে ‘অ্যাকটিভ’ করোনারোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৮ জনে।

Post a Comment

0 Comments