মতলবের গুনী শিক্ষাবিদ ওয়ালিউল্ল্যাহ পাটোয়ারীর ২১ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ


মতলব প্রতিনিধিঐতিহ্যবাহী  শতবর্ষী বিদ্যাপীঠ মতলবগঞ্জ জে.বিসরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষকদেশ বরেণ্য শিক্ষাবিদ মরহুম ওয়ালিউল্ল্যাহ পাটোয়ারীর ২১ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ২৫ আগষ্ট।



 উপলক্ষে আজ মতলবগঞ্জ জে.বিউচ্চ বিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্র সমিতির আয়োজনে বাদ যোহর মতলব হাইস্কুল জামে মসজিদেকোরআন খতমমিলাদ মাহফিল  দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কর্মসূচীতে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রশিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট সকলেরউপস্থিতি ছিলেন।


দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আলোকিত মানুষপ্রখ্যাত শিক্ষাবিদচাঁদপুর জেলা তথা সারাদেশে শিক্ষার আলোকবর্তিকা প্রজ্জলঙ্কারিউজ্জ্বল নক্ষত্র মরহুম ওয়ালিউল্ল্যাহ পাটোয়ারী ১৯২৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি এস সি পাস করেন। এই কীর্তিমানব্যক্তি ১৯৩০ সালের মে মাসে মতলবগঞ্জ জে বি পাইলট হাই স্কুলে তৃতীয় শিক্ষক হিসেবে যোগদান করে মাত্র ২৪ দিনেরশিক্ষকতাই তাঁকে প্রধান-শিক্ষক পদে নিয়োগ দেয়া হয়। 


এই বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ দেশ এবং জাতির জন্য ১৫ টি মূল্যবান উপদেশমূলক গ্রন্থ রচনা করেছেন। তার জীবন অভিজ্ঞতার উল্লেখ্যযোগ্য গ্রন্থ “উপদেশ কনিকা শুধু বাংলাদেশ নয়সারা বিশ্বব্যাপী মরহুম ওয়ালিউল্ল্যাহ পাটোয়ারির অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রি স্ব স্বক্ষেত্রে কৃতিত্বের সাক্ষর রেখেছেন এবং সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। ১৯৯৯ সালের ২৫ অগাস্ট  খ্যাতিমান শিক্ষাবিদ মৃত্যুবরণ করেন।মতলব গঞ্জ জে বি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে তাকে সমাহিত করা হয়।


খ্যাতিমান এই শিক্ষাবিদ সফল প্রধান-শিক্ষক হিসেবে দক্ষতা  নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে স্কুলটিকে দেশের অদ্বিতীয় স্কুলেপরিণত করেন। ১৯৬২ সালে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার তাকে রাষ্ট্রীয় খেতাব “তঘমা--খেদমত” উপাধিতে ভূষিত করেন।১৯৬৩ সালে পূর্ব-পাকিস্তানের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে “বেষ্ট টিচার এওয়ার্ড” পান। ১৯৬৭ সালে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে কুমিল্লা বোর্ডথেকে স্বর্ণপদক লাভ করেন এবং জেলার কৃতি প্রধান-শিক্ষক হিসেবে পুনঃ পুনঃ স্বর্ণপদক প্রাপ্ত হন। ১৯৮১ সালে কুমিল্লাফাউন্ডেশন থেকে তিনি স্বর্ণপদক লাভ করেন। ১৯৮১ সালে তিনি স্বাধীনতা পদক লাভ করেন।

Post a Comment

0 Comments