মতলবে জানাযা শেষে চীর নিদ্রায় শায়িত করা হল রাহিম ও সিজানকে


চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার ১০ পূর্ব ফতেপুর ইউনিয়নাধীন লুধুয়া আহম্মদীয়া দাখিল মাদ্রাসা মাঠে অদ্য বাদ আছর একসাথে রাহিম ও সিজানের জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাযা শেষে উভয়ের মরদেহ সমাহিত করা হয় লুধুয়া গোরস্থানে।


 গতকাল ৩০/০৮/২০২০ রোজ রবিবার বিকাল ৩টা ৩০ মিনিটে গজরা ইউনিয়নাধীন সোনামিয়া মার্কেট সংলগ্ন পন্যবাহী ফ্রেস কোম্পানির কভার্টভ্যানের সাথে সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে নিহত হন চালকের আসনে থাকা ১০নং পূর্ব ফতেপুর ইউনিয়নাধীন লুধুয়া গ্রামের মানিক বেপারির ছোট ছেলে সিজান। একই বাইকে থাকা ১০নং পূর্ব ফতেপুর ইউনিয়নাধীন নান্দুরকান্দি গ্রামের মোঃ হেলাল এর একমাত্র ছেলে রাহিম ঘটনাস্থল থেকে আশংকাজনক অবস্থা ঢাকা মেডিকেল নেয়ার পথে গত রাত ৯টা ১৫ মিনিটে (৩০/০৮/২০২০) ইন্তেকাল করেন।



 আজ উভয় মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে মরহুমদের নিজ নিজ বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। সিজান লুধুয়া স্কুল এন্ড কলেজে ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত এবং রাহিম লুধুয়া স্কুল এন্ড কলেজে এসএসসি এবং এইচএসসি সম্পন্ন করে স্নাতক প্রথমবর্ষে অধ্যয়নরত ছিলেন। হাজার মানুষের উপস্থিতির শেষ যাত্রার রাহিম ও সিজান হেরে গেছেন বেপরোয়া গতির কাছে। দূর্ঘটনার পূর্বে তিনটি মোটর সাইকেল যোগে রাহিম ও সিজানরা আসছিলো গজরা বাজার হয়ে লুধুয়ার দিকে।

 দূর্ঘটনায় বাকি দুই মোটরসাইকেল ও আরোহী অক্ষত থাকলেও তিনটি বাইকের মাজখানে থাকা রাহিম ও সিজানের গাড়ি নিয়ন্ত্রন হারিয়ে চলে যায় কভার্টভ্যানের চাকার তলে। চলতিমাস শোকাবহ আগষ্টের ২০ তারিখে ষাটনল ইউনিয়নাধীন ইমামপুর গ্রামের বাদশা খানের মেজো ছেলে সালেহ আহমেদ দাউদকান্দি উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নাধীন পদুয়া মাজার সংলগ্ন মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত হন। এভাবে তাজা কলিগুলো ফুটে উঠার আগে ঝড়ে যাওয়া মোটেও কাম্য নয়। অভিভাবক যারা আছেন তারা একটু সচেতন হোন, টাকা দিয়ে বাইক কিনে মৃত্যুকে কেন ঢেকে আনছেন? সন্তান পরিপক্ক বাইকচালক হলে এরপর তাকে সখের বাইক কিনে দিন।

সময় এসেছে, অভিভাবকদের সচেতন হওয়া এখনই প্রয়োজন।

Post a Comment

0 Comments