চাঁদপুর পৌরসভার বর্জ্য অপসারণে স্থায়ী কোনো ব্যবস্থা নেই।


১২৪ বছরেও বর্জ্য অপসারণের স্থায়ী কোনো উদ্যোগ নেয়নি চাঁদপুর পৌরসভা। এ অবস্থায় যুগের পর যুগ সাধারণ মানুষ যেখানে-সেখানে ময়লা-আবর্জনা ফেলছে। এতে যেমনি বাড়ছে নাগরিক ভোগান্তি তেমনি দূষিত হচ্ছে পরিবেশ।



নোংরা পরিবেশ ও দুর্গন্ধের কারণে ক্রেতারা আসে না, দু-একজন এলেও দ্রুত চলে যান। নোংরা পরিবেশ ও দুর্গন্ধের কারণে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। শহরে বর্জ্য নিষ্কাশনের একটা বিশাল সমস্যার পাশাপাশি যথেষ্ট ডাস্টবিনের অভাব রয়েছে। ডাস্টবিনের অভাবে বাসা-বাড়ির সব ময়লা-আবর্জনা এখানে ফেলা হয়। চাঁদপুর পৌরসভা কর্তৃক এখনও শুরু হয়নি ডাম্পিং স্টেশনের কাজ। যদিও চাঁদপুর পৌরসভা কর্তৃপক্ষ শহর থেকে সংগ্রহকৃত বর্জ্য বাসস্ট্যান্ড স্বর্ণখোলা রোডের লাশঘরের পাশে রাখে। এতে ওই এলাকার মানুষের পোহাতে হয় দুর্ভোগ। পৌরবাসীর জন্য পরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য উদ্যোগ নেয়া জরুরি বলে মনে করে সচেতন মহল।


শহরের বাসা-বাড়ি, হোটেল-রেস্তোরাঁসহ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বর্জ্য সংগ্রহ করে সুইপাররা তা ফেলছেন শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে। বিশেষ করে পৌরসভার চিত্রলেখার মোড়,চাঁদপুর সরকারি মহিলা কলেজ ও হাসান আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঝখানে, কোর্ট স্টেশন, পৌর ঈদগাহের পাশে ও আল-আমিন একাডেমি ছাত্রী শাখার ঠিক সামনে ময়লা স্তূপ করে রাখা হয়েছে। এতে পরিবেশ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে নগরবাসী। ৯.৮৯ বর্গমাইলের চাঁদপুর পৌরসভায় প্রায় দেড় লাখ মানুষের বসবাস। কিন্তু প্রথম শ্রেণির এই পৌরসভায় নেই স্থায়ী বর্জ্য নিষ্কাশনের ব্যবস্থা। পৌরসভা কর্তৃপক্ষ শহরের সব বর্জ্য নির্দিষ্ট কয়েকটি স্থানে ফেলার জন্য স্থান নির্ধারণ করেছে, যা জনবহুল ও রাস্তার পাশে হওয়ায় সৃষ্টি হয় দুর্গন্ধ, দূষিত হয় পরিবেশ। এতে সমস্যায় পড়ছেন ওসব এলাকার মানুষ ও ব্যবসায়ীরা। শহরের চিত্রলেখা মোড়ের বাসিন্দা বলেন, এ এলাকার আশপাশের সব বাসা-বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বর্জ্য এখানে ফেলা হয়। এতে এ এলাকার পরিবেশ নষ্ট হয়ে গেছে। দুর্গন্ধের কারণে বাসা-বাড়িতে থাকা যায় না। এমনকি রাস্তা দিয়ে হাঁটাও যায় না। হাসান আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের কয়েকজন দোকানদার জানান, আশপাশের সব বাসা-বাড়ির ময়লা এখানে ফেলছেন সুইপাররা। সব ময়লা এখানে জমানোর কারণে ঠিকমতো ব্যবসা করতে পারছি না আমরা।


Post a Comment

0 Comments