কর্ণফুলীর নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু টানেলের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে

কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধু টানেলের ৫৮ শতাংশের বেশি কাজ সম্পন্ন হয়েছে।কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে টানেলটির প্রধান অংশ যাবেযার দৈর্ঘ হবে .৩২ কিলোমিটার। এছাড়াও এই প্রকল্পটিতে ৭৪০ মিটার সেতুর পাশে .৮৯কিলোমিটার সড়কও নির্মিত হচ্ছে।




 হাজার ৪৫০ মিটার দীর্ঘ টানেল টিউবের বোরিং কাজের (যন্ত্রের সাহায্যে মাটি খননপাশাপাশি রিং স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে।দ্বিতীয় টানেল টিউবের বোরিং কাজ নভেম্বর/ডিসেম্বর নাগাদ সম্পন্ন হবে।


এতে আরো বলা হয়েছেচলতি বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর নাগাদ চীনের জিয়াংশু প্রদেশের ঝেনজিয়াং নগরীতে ১৯ হাজার ৬১৬টিমেগমেন্টের মধ্যে ১৭ হাজার ৭২৬টি মেগমেন্ট নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে।


এগুলোর মধ্যে প্রায় ১৪ হাজার ৬৪টি অংশ চট্টগ্রামের নির্মাণস্থলে আনা হয়েছে এবং আরো  হাজার ৭৮৪টি মেগমেন্টনির্মাণাধীন টানেলে স্থাপন করা হয়েছে।

প্রকল্প পরিচালক আশা করছেনপ্রাকৃতিক বিপর্যয় দেখা না দিলে এই টিউবগুলোতে রিং স্থাপনের কাজ আগামী মে থেকে জুনমাসের মধ্যেই সম্পন্ন হবে।


প্রকল্পটি ২০২২ সাল নাগাদ সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  চীনের প্রেসিডেন্ট শী জিনপিং ২০১৭ সালের ১৪ অক্টোবর এই টানেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।পরে গত ফেব্রুয়ারি মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টানেলের বোরিং কাজের উদ্বোধন করেন।


প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ১০ হাজার ৩৭৪.৪২ কোটি টাকা। চাইনিজ এক্সিম ব্যাংক এই প্রকল্পে ৫হাজার ৯১৩.১৯কোটি টাকা দেবে।




দীর্ঘ প্রতিক্ষিত টানেলটির প্রকল্পপরিচালক (পিডিইঞ্জিনিয়ার হারুনুর রশীদ চৌধুরী আজ বাসসকে বলেন, ‘প্রস্তাবিত টানেলটির মোট দৈর্ঘ হবে .৩৯কিলোমিটার। 

প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে চট্টগ্রামের পরিবহন ব্যবস্থার অনেক উন্নয়ন ঘটবেযানজট হ্রাস পাবে। পাশাপাশিটানেলটি এই অঞ্চলের সাথে গোটা দেশের অর্থনীতি উন্নয়নে অবদান রাখবে।

Post a Comment

0 Comments