মতলব খেয়া ঘাটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ে অনিয়ম দেখার কেউ নেই

চাঁদপুরের মতলব উত্তর এবং দক্ষিণ উপজেলার সাথে মানুষের আগে যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম ছিল খেয়া ঘাট। কালের বিবর্তনে মতলব সেতুর আবির্ভাব হলেও মতলব বাজারে দৈনন্দিন জীবনের খোরাকবাজার সদাই করতে হলে মানুষের এখনো খেয়া ঘাট দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। কারন মতলব সেতু যেখানে নির্মাণ করা হয়েছে তার থেকে বাজার অনেক দুরে। তাই মতলব বাজারে যেতে হলে মতলব উত্তরের পশ্চিম বাইশপুরঠেটালিয়ালুধুয়াএনায়েত নগর  টরকী সহ আশেপাশের এলাকার লোকজনের পোহাতে হচ্ছে ভোগান্তি। মাসিক বাজার হতে শুরু করে খুচরা পাইকারি এমন কোন জিনিসটি নেই যার জন্য একমাএ ভরশা হল মতলব বাজার।




কিন্তু মতলব উত্তর থেকে দক্ষিণে খেয়া ঘাটে আসার সময়  টাকা যাওয়ার সময়  টাকাতারপর আপনি যেকোনো একটা বড়মাপের ব্যাগ বা বস্তা হলে খেয়া ঘাটের ইজারাদার ১০০/২০০ টাকা চাঁদা দাবি করে। এইভাবে ছাত্র -ছাত্রী , শিক্ষক , কৃষক নানাপেশার মানুষ খেয়াঘাট ইজাদের কাছে জিম্মি হয়ে আছে  টাকা আদায়ের রশিদ  দিচ্ছে না খেয়াঘাট ইজারাদার।


করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার আগেও যদি সেখানে ঘাট ভাড়া ছিল  টাকা কিন্তু হুট করে মানুষের কাছ থেকে  টাকা বেশিকরে নিচ্ছে। জানা যায় ঘাটের চুক্তি অনুযায়ী শুধু ঘাট ভাড়া নিতে পারবে ইজারাদাররা নৌকা ভাড়া ফ্রি। মতলবের সংশ্লিষ্টকর্তৃপক্ষের  প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে সাধারন মানুষদের এই জিম্মিনাশা থেকে দ্রুত উদ্ধারকরবেন।


মতামতআলামিন হোসেন।

Post a Comment

0 Comments