খেজুরের রস চুরি করে হাড়িতে মুতে রাখে দুষ্ট ছেলেরা সেই রস খেয়ে বেহুশ মতলবের এক যুবক

খেজুরের রস আর শীত পরস্পর একই সূত্রে গাঁথা।এই মৌসুমের ঐতিহ্যের অন্যতম অংশীদার খেজুরের রস। যারা গ্রামে গঞ্জে বেড়ে উঠেছেন তাদের খেঁজুরের রসের বিষয়ে নতুন করে বলার কিচ্ছু নেই। এই রস চুরির ফন্দি ফকির না করার মানুষ একেবারে কম।



কেউ কেউ না কেউ এই রস চুরি খেয়েছেনকিংবা একটা সার্কেলই তৈরি হয় ভোরে কিংবা রাতে খেজুরের রস চুরির। আবার যারগাছ তারা চুরি ঠেকাতেও নানা ব্যবস্থা নেন। মাটির হাড়িতে চুন মেখে দিয়ে থাকেনকেউ আবার গাছে কাটা দিয়ে রাখেন। এতো কিছু করেও শেষ রক্ষা করা যায় না রস চুরি হয়েই থাকে।


মতলবে এবার খেজুরের রসের প্রচুর চাহিদা। প্রতি কেজি রস বিক্রি হচ্ছে ৭০/৮০ টাকা করে। দাম যেমন বেশী চোরদের উৎপাত একটু বেশী। রস চুরি নিয়ে এবার মতলবে ঘটল একটি হাস্যরস বোধের ঘটনা।

গতপরশু রাতে এলাকার ঝন্টু মিয়া তার গাছে রসের হাড়ি লাগিয়ে দিয়ে আসেন। গভীর রাতে এলাকার দুষ্ট যুবকরা রস খেয়ে হাড়িতে মুতে (পশ্রাবরাখে। পরে ভোর রাতে অন্য এলাকার আরেক দুষ্ট পোলাপান সেই গাছে রস চুরি করতে আসে। তারা হাড়িভর্তি রস মনে করে গাছ থেকে নামিয়ে একজন রস পান করে। রস পান করে সে বলে উঠে “কিরে ভাই রসে দেখি পস্রাবের গন্ধআসে” এই বলে সে বেহুশ হয়ে পরে যায়। পরে তাকে দ্রুত নিকটস্হ চিকিৎতা কেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে সুস্হ করে তোলা হয়।এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় তৈরি হয়। 


উল্লেখ্যখেজুরের রস উপাদেয় পানীয়। শুধু তাই নয় এর রয়েছে নানা গুণাগুণ এবং অনেক পুষ্টি।এরচেয়েও বড় কথা এদেশে শীতের মৌসুমে খেঁজুরের রসের চাহিদা ব্যাপক। এই রস দিয়েই তৈরি হয় সুস্বাদু সিন্নি আর গুড়।

Post a Comment

0 Comments